আরামবাগ চ্যাম্পিয়ন

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

স্পোর্টস ডেস্ক: দুপুরের পর থেকেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামমুখী সমর্থকদের খন্ড খন্ড মিছিল।
বেশিরভাগ সমর্থকের মাথায় লাল টুপি। মিছিলগুলো জড়ো হয় স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারিতে। সাদা-কালো মোহামেডানের গ্যালারী হিসেবে পরিচিত জায়গা প্রায় ভরে গেলো ‘লাল আরামবাগে।’ স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিরুদ্ধে লাল জার্সি গায়েই নামলো মারুফুল হকের দল।
লাল জার্সি গায়ে একদল তরুণ যখন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাসে ফুটবলের ছবি আঁকছিলেন তখন গ্যালারিতে বইছিল লাল ঢেউ। ম্যাচের শেষেও থাকলো সেই লাল উৎসব। চট্টগ্রাম আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম লিখিয়েছে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। এই প্রথম দলটি জিতলো ঘরোয়া ফুটবলে কোনো ট্রফি। আরামবাগের ইতিহাস সৃষ্টি করা ম্যাচে গোল করেছেন আরিফ ও রকি।
মিডিওকার দল আরামবাগের প্রধান শক্তি ছিল মাঠে এক ঝাঁক তরুণ। আর ডাগআউটে দেশের অন্যতম অভিজ্ঞ কোচ মারুফুল হক। তারুণ্য আর অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের মিশেলে ঘরোয়া ফুটবলে আরামবাগ গড়লো নতুন ইতিহাস। একটি ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো মতিঝিল পাড়ার ক্লাবটি।
আগের দিন ফাইনালপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আরামবাগের অধিনায়ক আবু সুফিয়ান সুফিল বলেছিলেন, তাদের ফাইনালে ওঠা কোনো চমক নয়। পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস দিয়েই তারা উঠে এসেছে শিরোপা লড়াইয়ে। ফাইনালেও তারা নিজেদের প্রমাণ করলো যোগ্য দল হিসেবে। প্রাধান্য নিয়েই তারা হারিয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় হওয়া চট্টগ্রাম আবাহনীকে।
আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম আবাহনী ট্রফিটা ধরে রেখে মৌসুম শেষ করতে চেয়েছিল; কিন্তু পারেনি। শিরোপা হারিয়েই একটা ব্যর্থ মৌসুম শেষ করলো চট্টলার দলটি। ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারানোর মধ্যে দিয়ে একটা বৃত্তও পূরণ হলো আরামবাগের। টানা তারা তিন ম্যাচ জিতলো প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী, রানার্সআপ শেখ জামাল ও তৃতীয় চট্টগ্রাম আবাহনীর বিরুদ্ধে।

Share.

Leave A Reply